৬৪ জেলার ভ্রমণ গাইড
প্রতিটি জেলার দর্শনীয় স্থান, থাকার জায়গা, খাবার, সংস্কৃতি, ইতিহাস আর যাতায়াতের তথ্য — বিভাগ অনুযায়ী সাজানো।
ঢাকা বিভাগ ১৩
হাওরের বুক চিরে সড়ক, দেশের বৃহত্তম ঈদ জামাত।
শালবন, সাফারি পার্ক আর রাজধানীর পাশের সবুজ অবকাশ।
মধুমতীর তীরে বিল, খাল আর ঐতিহাসিক টুঙ্গিপাড়া।
তাঁতের শাড়ি, পোড়াবাড়ির চমচম আর জমিদারবাড়ির জেলা।

চারশো বছরের রাজধানী — মুঘল স্থাপত্য, বুড়িগঙ্গা আর পুরান ঢাকার স্বাদ।
আড়াই হাজার বছরের উয়ারী-বটেশ্বর আর লটকনের রাজ্য।
প্রাচীন সোনারগাঁ, পানাম নগর আর জামদানির জন্মভূমি।
পল্লীকবির ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ আর পদ্মার পাড়।
আড়িয়াল খাঁর তীরে ফরায়েজী আন্দোলনের জন্মভূমি।
জমিদারবাড়ির সারি আর পদ্মা-যমুনার ঘাট।
প্রাচীন বিক্রমপুর — পদ্মা সেতু, ইলিশ আর অতীশ দীপঙ্করের ভিটা।
গোয়ালন্দ ঘাট — পদ্মা-যমুনার সঙ্গমের পুরোনো প্রবেশদ্বার।
পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্ত আর কীর্তিনাশার দেশ।
চট্টগ্রাম বিভাগ ১১
বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক বালুকাময় সমুদ্রসৈকত (প্রায় ১২০ কিমি)।
ময়নামতির বৌদ্ধ বিহার, খাদি আর রসমালাইয়ের শহর।
আলুটিলার রহস্যময় গুহা আর সাজেকের প্রবেশপথ।
বন্দরনগরী — পাহাড়, সমুদ্র আর কর্ণফুলীর মিলনস্থল।
ইলিশের বাড়ি — পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়ার মোহনা।
নিঝুম দ্বীপের হরিণ আর গান্ধী আশ্রমের জেলা।
মুহুরী প্রজেক্ট আর শমসের গাজীর কেল্লার জেলা।
মেঘের রাজ্য — দেশের সর্বোচ্চ পাহাড়চূড়াগুলোর ঠিকানা।
সুরসম্রাট আলাউদ্দিন খাঁর জন্মভূমি, তিতাস নদীর দেশ।
কাপ্তাই হ্রদের নীল জলে ভাসমান পাহাড়ি শহর।
মেঘনার তীরে নারকেল-সুপারি আর সয়াবিনের দেশ।
রাজশাহী বিভাগ ৮
আমের রাজধানী আর সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন।
লতিরাজ কচু আর প্রাচীন দিঘির শান্ত জেলা।
পাহাড়পুর — দক্ষিণ হিমালয়ের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ বিহার।
রানী ভবানী, বনলতা সেন আর কাঁচাগোল্লার শহর।
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, তাঁত আর সুচিত্রা সেনের শহর।
মহাস্থানগড় — বাংলার প্রাচীনতম নগরী, আর বিখ্যাত দই।
রেশম, আম আর পদ্মাপাড়ের পরিচ্ছন্ন শহর।
যমুনা সেতু আর তাঁতের হাটের জেলা।
খুলনা বিভাগ ১০
লালনের আখড়া আর রবীন্দ্রনাথের শিলাইদহ — বাংলার সাংস্কৃতিক রাজধানী।
সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার, রূপসার তীরের শিল্পনগরী।
দর্শনার কেরু চিনিকল আর নীলকুঠির ইতিহাস।
বারোবাজারের সুলতানি মসজিদ আর এশিয়ার বিশাল বটগাছ।
চিত্রা নদীর তীরে শিল্পী এস এম সুলতানের শহর।
ষাট গম্বুজ মসজিদ ও সুন্দরবন — দুই বিশ্ব ঐতিহ্য এক জেলায়।
রাজা সীতারাম রায়ের রাজধানী আর মধুমতীর পাড়।
মুজিবনগর — যেখানে শপথ নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
ফুলের রাজধানী গদখালী আর মধুকবির সাগরদাঁড়ি।
সুন্দরবনের পশ্চিম দুয়ার আর প্রতাপাদিত্যের রাজধানী।
বরিশাল বিভাগ ৬
ভীমরুলির ভাসমান বাজার আর শীতলপাটির গ্রাম।
কুয়াকাটা — সাগরকন্যা, যেখানে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দুটোই দেখা যায়।
ভাসমান পেয়ারা বাজার আর ভাসমান সবজি বাগান।
টেংরাগিরির বন আর শুভসন্ধ্যা সৈকত।
ধান-নদী-খাল — বাংলার ভেনিস।
দেশের বৃহত্তম দ্বীপ — মনপুরা, চর কুকরি মুকরি।
সিলেট বিভাগ ৪
চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গল, লাউয়াছড়ার রেইনফরেস্ট আর মাধবকুণ্ড।
দুটি পাতা একটি কুঁড়ি আর হযরত শাহজালালের পুণ্যভূমি।
টাঙ্গুয়ার হাওরের জলরাজ্য আর বাউল গানের জন্মভূমি।
সাতছড়ি ও রেমা-কালেঙ্গার বন, তেলিয়াপাড়ার ঐতিহাসিক চা বাগান।
রংপুর বিভাগ ৮
ব্রহ্মপুত্র-ধরলার চর আর ‘চিলমারীর বন্দর’।
রসমঞ্জরী আর পুরস্কারজয়ী ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার।
দুইশো বছরের সূর্যপুরী আমগাছ আর রাজবাড়ির জেলা।
টেরাকোটার বিস্ময় কান্তজিউ মন্দির আর লিচুর দেশ।
নীলসাগর, তিস্তা ব্যারাজ আর রেলের শহর সৈয়দপুর।
তেঁতুলিয়া থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা — দেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা।
তাজহাট জমিদারবাড়ি, বেগম রোকেয়ার পায়রাবন্দ আর হাঁড়িভাঙ্গা আম।
তিস্তা ব্যারাজ, তিনবিঘা করিডোর আর সীমান্তের গল্প।
ময়মনসিংহ বিভাগ ৪
নকশিকাঁথা আর লাউচাপড়ার পাহাড়ি সবুজ।
বিরিশিরির চীনামাটির পাহাড়, সোমেশ্বরী আর হাওর।
ব্রহ্মপুত্রের পাড়, জয়নুলের শহর আর মুক্তাগাছার মণ্ডা।
গারো পাহাড়ের কোলে গজনী আর মধুটিলা।